Monday, 21 December 2015

মেয়েদের সহজে প্রেমে পটানো যায় কীভাবে?


আমি মেয়ে পটাতে চাই। সমস্যা নেই জীবনে একটাই পটাতে চাই। কিন্তু বুঝতে পারছি না কিভাবে পটাবো? সাহায্য করবেন?

আপনার উদ্দেশ্য যদি শুধু জীবনে একটি নারীকে পটানো হয় তাহলে ঠিক আছে। তাহলে আপনি পটানোর চেষ্টা করতেই পারেন তাকে যাকে আপনার মন থেকে ভালো লাগে। এর জন্য শিখে নিন মেয়ে পটানোর এই টিপসগুলো :
পছন্দের নারীর জীবনে সুপারম্যানের ভূমিকায় অবতীর্ণ হন
আপনি যদি আপনার পছন্দের নারীকে আকৃষ্ট করতে চান তাহলে তার জীবনের 'সুপার ম্যান' হয়ে যান। অবাক হয়ে গেলেন? সুপার ম্যান হওয়া তেমন কোনো কঠিন বিষয় না। শুধু পছন্দের মানুষটির বিপদে পাশে দাঁড়ালে আর ইচ্ছা অনিচ্ছার দিকে খেয়াল রাখলেই আপনি হতে পারবেন তার সুপার ম্যান।
সবসময় তাঁর কল ও মেসেজের জবাব দিন
আপনার পছন্দের নারীটি যদি আপনাকে খুব শখ করে কল করে কিংবা ম্যাসেজ দেয় তাহলে আপনি যত ব্যস্তই থাকুন না কেন চেষ্টা করুন সেগুলোর জবাব দিতে। একবার যদি অবহেলা করে ফেলেন তাহলে আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে আপনার দূরত্ব বেড়ে যাবে অনেকখানি।
দুঃসময়ে উপদেশ না দিয়ে পাশে থাকুন
আপনার পছন্দের নারীটির জীবনে দুঃসময় চলছে? তাকে অহেতুক উপদেশ বাণী না শুনিয়ে তাকে সঙ্গ দিন। চেষ্টা করুন সব সময় তার পাশে থাকার। তাহলে সে আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবে।
নিজের চুলের যত্ন নিন
নারীরা ছেলেদের চুল খুবই ভালোবাসে। সুন্দর ও পরিষ্কার চুল এবং আধুনিক হেয়ার কাট দিয়ে নিজেকে ফিটফাট রাখুন। আপনার পছন্দের নারী খুব সহজেই আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবেন।
নিজেকে রাখুন দৈহিক ভাবেও আকর্ষণীয়
পছন্দের নারীকে আকর্ষণ করতে চাইলে আপনার দৈহিক গঠনের দিকে খেয়াল রাখুন। অতিরিক্ত ওজন, খুব কম ওজন কিংবা ভুড়ি আপনার আকর্ষন কমিয়ে দিতে পারে আপনার প্রিয় মানুষটির কাছে। আর তাছাড়া আপনার শারীরিক গঠন সুন্দর হলে আপনাকে যে কোনো পোশাকেই মানিয়ে যাবে। এখনকার নারীরা ছেলেদের ফিগারের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন। তাই আপনার পছন্দের নারীকে আকর্ষন করতে চাইলে নিজের শারীরিক গঠনের দিকে খেয়াল রাখুন।
পারফিউম ছাড়া চলবে না মোটেই!
নারীরা সব সময়েই সুন্দর ঘ্রান পছন্দ করে। আর তাই একজন নারীকে আকর্ষণ করার সবচাইতে কার্যকরী একটি উপায় হলো রুচিশীল সুন্দর সুগন্ধী ব্যবহার করা। আপনার পছন্দের নারীর আশে পাশে থাকলে অন্তত সুগন্ধী ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। এতে সে আপনার প্রতি আকৃষ্ট হবে এবং আপনার প্রতি তার আকর্ষণ সৃষ্টি হবে।
পরিচ্ছন্নতা ও স্মার্টনেসের দিকে খেয়াল রাখুন
পছন্দের নারীটিকে আকর্ষণ করার জন্য সব সময় পরিচ্ছন্নতা ও স্মার্টনেসের দিকে লক্ষ্য রাখুন। নারীরা স্মার্টনেস পছন্দ করেন। বিশেষ করে ক্যাসুয়াল পোশাকে চাইতে ফরমাল পোশাকেই পুরুষদেরকে বেশি পছন্দ করেন নারীরা। তাই পছন্দের নারীর মন পাওয়ার জন্য নিজেকে সব সময় ফিটফাট ও পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন।
হাসি ও খাওয়াদাওয়ার মার্জিত ভঙ্গি রপ্ত করুন
নারীরা হাসিখুশি পুরুষদেরকে পছন্দ করে। গম্ভীর ধরনের পুরুষদের ধারে কাছেও ঘেষতে চায় না নারীরা। পছন্দের নারীর মন পেতে চাইলে সব সময় হাসিখুশি থাকার চেষ্টা করুন। নিজেকে আড্ডা, রসালাপ ও নানান রকম প্রানবন্ত কাজে নিয়জিত করুন। এছাড়াও খাওয়ার দাওয়ার ভঙ্গিতেও হওয়া চাই স্মার্ট। শব্দ করে খাওয়া কিংবা ছড়িয়ে ছিটিয়ে খাওয়ার অভ্যাস ত্যাগ করুন। তাহলে আপনার পছন্দের নারী খুব সহজেই আপনার প্রতি আকর্ষণবোধ করবে।
চোখে চোখ রেখে কথা বলতে শিখুন
পছন্দের নারীর মন পেতে চাইলে তার সাথে সব সময় চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। কথা বার্তায় কোনো ধরনের জড়তা রাখবেন না। কথা বার্তার জড়তা কিংবা নিজেকে গুটিয়ে রাখা নারীরা একেবারেই পছন্দ করেন না। সম্ভব হলে তার প্রতি আপনার আকর্ষণের বিষয়টি সরাসরি বলে দিন। এতে আপনার পছন্দের নারী রাজি হোক কিংবা না হোক আপনার প্রতি তার ধারণা ভালো হবে এবং আপনার নির্ভিকতার প্রতি আকৃষ্ট হবে সে
এছাড়া :
পুরুষের ৬টি বিচিত্র আচরণ নারীর চোখে আকর্ষণ বাড়ায় বহুগুণে! : এটা আদিমযুগ থেকেই চলে আসছে যে নারী-পুরুষ উভয়ে উভয়ের প্রতি অাকর্ষণবোধ করবে, কাছাকাছি হবে এবং পরস্পরকে ভালোবাসবে। নারীদের যেমন কিছু বিশেষ বিষয় পুরুষদের দারুণ আকর্ষণ করে থাকে, ঠিক তেমনিই পুরুষদেরও এমন কিছু বিশেষ বিশেষ বিষয় রয়েছে যা একজন নারীকে তার প্রতি মুগ্ধ করে তোলে। নারীর চোখে পুরুষটির আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। মজার ব্যাপার হলো, সেই কাজগুলোর মাঝে বেশ কয়েকটিই আবার ভালো না। বলা যায় রীতিমত খারাপ! বিস্তারিত : http://www.priyo.com/2014/10/17/113031.html
কেমন পুরুষদের প্রতি আকর্ষণবোধ করেন নারীরা? : সৃষ্টির শুরু থেকেই নারী পুরুষ একজন আরেকজনের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। এটি প্রাকৃতিক নিয়মেই ঘটে থাকে। অবশ্য কিছুটা ব্যতিক্রমও চোখে পরে। কিন্তু সে যাই হোক, নারী ও পুরুষের মধ্যকার এই আকর্ষণবোধ আছে এবং থাকবে। প্রতিটি মানুষ যেমন আলাদা তেমনই আলাদা তাদের পছন্দ। একজনের কাছে যা অনেক পছন্দের অন্যের কাছে তা পছন্দ নাও হতে পারে। বিস্তারিত : http://www.priyo.com/2014/05/12/67871
নারীর চোখে একজন ব্যক্তিত্ববান পুরুষের ১৫ টি বৈশিষ্ট্য : একজন পুরুষের অসাধারণ ব্যক্তিত্ব নারীদের তীব্র ভাবে আকর্ষণ করে থাকে। পুরুষের চেহারা কিংবা অর্থের চাইতেও নারীকে বহুগুণে বেশী আকর্ষণ করে পুরুষের ব্যক্তিত্ব। নারী মনে মনে বিশ্বাস করে যে একজন ব্যক্তিত্ববান পুরুষ কখনোই তাঁকে আঘাত করবেন না, বাজে ব্যবহার করবেন না এবং এমন পুরুষের সাথে তিনি নিরাপদ থাকবেন। নারীর চোখে একজন ব্যক্তিত্ববান পুরুষের আবেদন যতখানি বেশী, তেমন আর কারোরই নেই। বিস্তারিত : http://www.priyo.com/2014/10/30/115955.html
পুরুষের যে ১০টি বিষয় ভালোবাসেন নারীরা : কথায় আছে, নারীর মন স্বয়ং বিধাতাও বোঝে না! সেখানে পুরুষেরা বুঝে উঠবেন নারীর মন, সে একটু কঠিন বৈকি! কি করলে নারীর মন পাওয়া যাবে এটা নিয়ে যুগে যুগে অনেক গবেষণা ও তর্ক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ আর কিছুই না, পছন্দের নারীর ভালোবাসা অর্জন। নারীরা সাধাণরত আত্মনির্ভরশীল, ব্যক্তিত্ববান এবং রোমান্টিক পুরুষদের ভালোবাসেন। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক পুরুষের মধ্যে কি কি বৈশিষ্ট্য থাকলে নারীর মন জয় করে নেয়া যায়। বিস্তারিত : http://www.priyo.com/2013/09/03/29840.html

পান খেলে কি স্বাস্থ্যের কোন ক্ষতি হয়?

প্রায় অনেক মানুষকে দেখা যায় পান খেতে। এর কি স্বাস্থ্যগত কোন খারাপ দিক আছে? থাকলে তা থেকে প্রতিকারের উপায় কী?

পান খাওয়া একটি বাজে অভ্যাস ,যা দাঁতের খুবই ক্ষতি করে এবং মুখ গহবরে অনেক সমস্যা সৃষ্টি করে। পানের সাথে অনেকে জর্দা খায় যা প্রচন্ড ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাস। এছাড়াও চুন সুপারি খয়ের ও দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ক্ষতি হয়। তাই পান খাওয়ার অভ্যাস গড়ে না তোলাই ভালো। ধন্যবাদ পরামর্শ দিয়েছেন : সুলতানা পারভীন উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পাবনা সদর ,পাবনা। 

পেনিস বা লিঙ্গ বড় ও মোটা করার ঔষধ আছে কি ?

এ বিষয়ে এর আগেও লিখেছিলাম। কিন্তু আজও লিখতে বসলাম একটা কারণে। আজ আমাদের সমাজে কে কাকে ঠকিয়ে বড় হবে সেই চিন্তায় বেশি ব্যস্ত থাকি। তা না হলে আজ কাল ফেইসবুক আর অনলাইন এ বিভিন্ন ব্লগে যে সব বিজ্ঞাপন দেখা যায় তার কার্যকারিতা বাস্তবে শুন্য এটা হয়ত অনেকেই বুঝেন আবার অনেকেই বুঝেন না।

যেমন ধরুন পূরুষের লিঙ্গ বড় ও মোটা করার জন্য নানা প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন দেখা যায় ফেইসবুক আর বিভিন্ন ব্লগে। যেখানে তাদের নির্দিষ্ঠ কোনো ঠিকানা দেয়া থাকেনা, তারা শুধু একটা ফোন নম্বর ব্যবহার করে। আমাদের কোমলমতি যুবকগণ তাদের বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ঠ হয়ে এই সব প্রোডাক্ট উচ্চমূল্যে কিনে থাকে আর ফলাফল শূন্য ছাড়া আর কিছুই পায় না। কারণ কারো যদি পেনিস বা লিঙ্গ ছোট হয়ে থাকে তার কারণটা ভিতরগত। বাহির থেকে আপনি যতই মালিশ বা অয়েন্টমেন্ট ব্যবহার করেন না কেন এটা কোনো ফলই দিবে না যদি না ভেতর থেকে ঠিক হয়ে আসে।যদি হস্তমৈথুনের কুফলের কারণে লিঙ্গ কিছুটা ছোট হয়ে থাকে তাহলে হোমিওপ্যাথিই একমাত্র চিকিত্সা বিজ্ঞান যেখানে এ সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট মেডিসিন রয়েছে যে গুলো সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ামুক্ত। হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমূহ একেবারে রোগের গোড়া থেকে একে ঠিক করে থাকে বলে একই সমস্যা পুনরায় দেখা দেয় না।

যাই হোক একটা কথা মনে রাখবেন লিঙ্গের আকার জন্মগত। এটা বড় বা মোটা করার কোন উপায় এখনো আবিস্কার হয় নাই। রাস্তাঘাটে লিঙ্গ বড় করার যেসব পোস্টার, লিফটলেট, সাইনবোর্ড দেখে থাকেন তা সম্পূর্ণ ভূয়া। এছাড়া বিভিন্ন প্রকার হারবাল বা অন্যান্য ঔষধের বিজ্ঞাপন দেখেন, সেসবও আপনাদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে আপনাদের সাথে প্রতারনা করে যাচ্ছে।

তাই, পেনিস এর আকার নিয়ে বেশি দুশ্চিন্তা না করে স্বাভাবিক ভাবে যা আছে তা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকা ভাল। আর মনে রাখতে হবে, আনন্দদায়ক যৌন জীবন লিঙ্গের আকারের উপন নির্ভর করে না।

যৌন উত্তেজনার সময় সাধারণত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দুইই বেড়ে যায় কেন ?

যৌন উত্তেজনার সময় সাধারণত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ দুইই বেড়ে যায় কারণ ওই সময় লিঙ্গে রক্ত সরবরাহকারী ধমনীসমূহ প্রসারিত হয়ে স্পঞ্জি টিস্যুগুলিতে অতিরিক্ত রক্ত সরবরাহ করে। এর ফলে ওই টিস্যুগুলো প্রসারিত হওয়ায় লিঙ্গ দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে বাড়তে থাকে। স্পঞ্জি টিস্যুসমূহ প্রসারিত হয়ে লিঙ্গের শীরাগুলিকে চেপে দেয় যাতে ওই টিস্যুগুলি থেকে শীরার মাধ্যেম রক্ত কম পরিমানে অপসারিত হয়।



ফলস্বরূপ বেশি পরিমানে রক্ত লিঙ্গে প্রবেশ করে কিন্তু অল্প অপসারিত হয়। এটা চলতে থাকে যতক্ষন না একটি সাম্যাবস্থা সৃষ্টি হচ্ছে, যাতে করে উত্তেজিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ একটি নির্দিষ্ট মানে বজায় থাকতে পারে। এই ঘটনাকেই বলা হয় ইরেকশন (erection) যা যৌনমিলনের জন্য প্রয়োজনীয়।

উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্য গড়ে প্রায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি পরিমান হয়। তবে ব্যাক্তিবিশেষের উপর নির্ভর করে এই মান ৪ ইঞ্চি থেকে ৭.৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। সব থেকে দীর্ঘতম লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৩.৫ ইঞ্চি। তবে এখানে উল্লেখ্য যে অনুত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের দৈর্ঘ্যের উপর উত্তেজিত দৈর্ঘ্য কখওনোই নির্ভর করেনা।

আরও একটি কথা বলা প্রয়োজন যে, ব্যাক্তির শরীরের বা অঙ্গ প্রত্যঙ্গের দৈর্ঘ্যের উপরেও উত্তেজিত লিঙ্গের দৈর্ঘ্য নির্ভর করেনা। লিঙ্গের গড় পরিধি প্রায় ৪.৮ ইঞ্চি মত। উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গের কোন একদিকে বেঁকে যাওয়াটা একটি স্বাভাবিক ব্যাপার। এছাড়াও দেখা যায় যে অনেকের ক্ষেত্রে উত্তেজিত লিঙ্গ উপরের দিকে, অনেকের নিচের দিকে কিংবা অনেকের আবার ভূমির সমান্তরালে মুখ করেও অবস্থান করে ইহা স্বাভাবিক বিষয় বা এর জন্য মন খারাপ বা ভয়ের কিছু নাই।
ছোট ব্রেস্ট যেভাবে বড় করবেন


অনেক মেয়েই আমাকে প্রশ্নটি করেছেন যে ছোট ব্রেস্ট কিভাবে বড় করব?? অনেকে আবার আরও বিপদে পড়ে বলেছেন “ আপু এতো ছোট দুধ দিয়ে হ্যাজবেন্ডকে খুশী করতে পারছিনা,প্লিজ হেল্প”…যাই হোক সময়ের স্বল্পতা এবং প্রশ্নের ধরন একি হওয়ায় সবার প্রশ্ন পোস্ট করা গেলনা। কিন্তু সবার প্রশ্নের উত্তর এই পোস্টের মাধ্যমে দিয়ে দেয়া হল।আশা করি আপ্নারা সবাই কিছুটা হলেও উপকার পাবেন। আপ্নাদের সবার সুন্দর এবং আকর্শনীয় ফিগার কামনা করছি।





১/ আপনাকে মানসিক ভাবে ওনেক দৃঢ় হতে হবে। মন মরা হয়ে বসে থাকলে স্তনের অবস্থা আরও খারাপ হবে।আপনার বয়স এবং স্বাস্থ্য বাড়ার সাথে সাথে আপনার স্তন এমনিতেই বড় হবে।তাই নিজেকে কিছুটা সময় দিলে ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক ভাবেই বড় হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া বুকের কিছু ব্যায়াম আছে, যেমন বুকডন, বেঞ্চপ্রেশ।এছাড়া এগুলো বেয়াম কোন ইন্সট্রুমেন্ট ছাড়া খালি হাতেও করতে পারেন।



২/ ব্রেস্টে নিয়মিত ম্যাসাজ করলেও এটা ধীরে ধীরে বড় হয়। আবার নিয়মিত সেক্স করলে ও তা বড় হয়(বিবাহিতদের জন্য)। তবে এসময় নিজের অরগাজমের উপর নজর দিতে হবে। অনেকক্ষণ ধরে সেক্স করার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিজেকে শারীরিক এবং মানসিক ভাবে পুরো একটিভ থাকতে হবে। এতে দেহে হরমোনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে যা ব্রেস্ট বড় করতে সহায়তা করবে।





৩/ মেয়েদের জন্য বুকের কিছু স্পেশাল ব্যায়াম আছে, যেমন বেঞ্চ প্রেস, বাটারফ্লাই প্রেশ, পুশ-আপ (বুকডন)- নিয়মিত এগুলো করে স্তনের টিস্যুতে ব্লাড ফ্লো বাড়াতে হবে। এতে বুকের পেশিগুলো সঠিক সেপে এসে স্তনকে সুগঠিক করবে। এটা অনেকটা বডিবিল্ডাররা যেভাবে শরীরের পেশি বৃদ্ধি করে, সেভাবে কাজ করবে।দিনে বেশ কয়েকবার দুইহাত দুইদিকে প্রসারিত করে আবার এক করুন।



৪/ স্বামী বা পার্টনার কে বলবেন দুইটাতেই সমান গুরুত্ব দিতে।সে যেন একটা স্তন নিয়ে মেতে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।



৫/ হাত ঘষে গরম করে দুই হাত স্তনের নিচে হালকা চেপে ধরে ডানহাত ঘড়ির কাটার দিকে আর বাম হাতে ঘড়ির কাটার উলটা দিকের মত ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। সকালে ঘুম থেকে ওঠার সময় আর রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে ১০-১৫ মিনিট এভাবে ১০০ থেকে ৩০০ বার ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ম্যাসাজ করুন। মাস খানেকের মধ্যে স্তনের সাইজ কিছুটা বাড়ার কথা। সেই সাথে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খেতে হবে, রাতে অনেক ঘুমাতে হবে।






৬/ গোসল করার সময় হাত দিয়ে দুধের চারপাশ ১০/১৫ মিনিট মাসেজ করবেন। আপনার শরীর যদি চিকন হয় তাহলে ২/৩ মাস সুষম খাদ্য খায়ে শরীরটা ঠিক করেন, দুধ, ডিম, ফল একটু বেশি খেলে উপকার পাবেন…চিন্তামুক্ত থাকার চেষ্টা করবেন। শরীর বাড়ার সাথে সাথে আপনার স্তন(দুধ) ও বড় হবে। সাথে ব্যায়াম করবেন ব্যায়াম না করেল শরীর আবার বেশি মোটা হয়ে যেতে পারে। শরীরের প্রতি খেয়াল রাখবেন। ঠিক মত ঘুমাবেন। মাসেজ টা চালিয়ে যাবেন। যদি পারেন তাহলে দিনে দুই বার ১০ থেকে ১৫ মিনিট আলতো ভাবে টিপবেন বা মাসেজ করবেন।আর হ্যা এইসময় কিন্তু সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার করতে হবে। নইলে ব্রেস্ট ঝুলে যেতে পারে।

৭/ সর্বশেষ অপশন হলো- ব্রেস্ট ইমপ্লান্ট, সার্জারী করে… যা ন্যাচারাল নয় বলে না করাই ভালো।


আরো অনেকে খুজেছে

মায়ের দুধ; bangla health magazine; bangla health care; health tips in bengali language; মেয়েদের স্তন; healthy tips bangla; বাংলা মেয়ের দুধ; helth tips in bengali; sasto bangla com; বাংলা মেয়েদের; মেয়ের দুধ; দুধ মে; বাংলা মেয়েদের দুদ; বাংলা মেয়েদের স্তন; মায়ের দুধ; মেয়েদের স্তন; মেয়ের দুধ; বাংলা মেয়ে দের দুধ; মেয়ের দুধ; স্তনের সাইজ; bangla tips for health; breast care tips bangla; www helth tips; বাং; বাংলা মেয়ে দুধ; বড়বড় দুধ; মায়ের বুনি; মে দুধ; মেয়ে দুধ; মেযের দুধ; মেয়ে দুধ; মোটা মেয়েদের দুধ; ময়েদের ব্রা; বংলা দুদ; বই নারী বশিকরনের; বাংলা মাঘীর দুধ; বাংলা মেয়ের দুধ; বাংলা মেয়ের স্তন; বাংলা মেয়েদের; বাংলাদেশি দুদ; বাংলাদেশি মোটা মহিলাদের দু মেয়ে দুদ; মেয়ে দুধ; মেয়েটির দুধ; মেয়েদের মোটা দুধ; মেযের দুধের পকার; মেয়ে দুধ; মেয়ে দের বোড় দুধ; সুন্দর মেয়ের ধুদ; স্তনের আকার বড় করার এবং সু স্তনের ধরন; -মা মেয়ের; Ban মেয়েদের দুধ; bangla halthy mayeder bra কেন পরা উচিত?; bangla helth books; bangla pragnent; BANGLA WOMEN HEALTH TIPS COM; Bangla মেয়েদের দুধ; bd healthe oraganie; body bangla tipes; brest bengali tips; health bangla con; health tips bangla book; health tips for women in bangla; healths bangla; helt problem in bengali; helth bangali; pregnency bangla language; pregnencybangla com; Women health in bangla font; www bd health; www halthebd com; |ছোট ছোট দুদ; আদরি বাটন; আমার ছোট ছোট দুধ; আমার মেয়ের দুধ ছোট; এতো।ছোট।দুত।ছেরির; ছোট বুনি; ছোট মেয়েদের দুধ; দুদ মেয়ে; দুদ ম্যাসাজ; দুধ মেয়ের; দুধ মোটা; দুধ। মেয়ের দুধ; বংল।ছ।দু; বর আপুর দুধ; বাংগালী মে; বাংগালী মেয়ের দুদ; বাংগালী মেয়ের সেলফি; বাংলা ছুট মেয়েদের বুনি দেখুন ডট কম; বাংলা দেশের মেয়েরা; বাংলা বাংগালী; বাংলা মহিলা health care; বাংলা মেয়ের দুধ বড় ইনজেকশন; বাংলা মেযের দুধ; বাংলা মেয়ের দুদ; বাংলা মেয়েরর দুধ; বাংলাদেশি দুদ; বাংলাদেশি বড় দুধের মেয়ে; বাংলাদেশি মেয়েদের দুদ; বাংলাদেশি মেয়ের দুধ; বাংলাদেশি মেয়ের ধুদ; বাংলাদেশি সুন্দর সুন্দর মেয়ে; বাংলাদেশী মেয়েদের দুধ; বা্লা মে দের; বিংলা দেশের মেয়ে।; বিদেশী মেয়ের দুধ; বুনি ছোট করার নিয়ম; ব্রা কিনব; ব্রার ধরন; ব্রেস্ট ম্যাসাজ; মহিলাদের বাচছা হবার ছবি; মহিলাদের স্তনের দুধ খাওয়া; মহিলাদের ুনদর দুধ; মাগীর দুদ; মাগীর দূধ; মায়ের দুদ; মায়ের ফর্সা দুধ; মায়ের বীর্য; মালায় মেযের দুধ; মায়ের দুদ; মায়ের দুধ#; মেয়েদের দুধ খাউর। লেখা; মেয়েদের স্তন সুন্দর করার নিয়ম - Health Bangla | হেল্থ বাংলা; মেয়ের দুধের; মেয়ের স্তন; মেয়ে দুদ; মেয়ে দুধ বড়; মেয়েই দের; মেয়েদের গোসোল; মেয়েদের দুদ বেরহয়ে আশা; মেয়েদের বাংলা দুধ; মেয়েদোর ঘড়ি; মেয়ের; মেয়ের দুদ; মেয়ের স্তনের; মে‌য়ের দুধ; শিতে আপুর দুধ; সতন দিয়ে দুধ পরা; স্তনের সাইজ;

Sunday, 20 December 2015

মেয়েদের যৌনাঙ্গের চুল কাটার সহজ উপায়

মেয়েদের যৌনাঙ্গের চুল কাটা খুব কঠিন একটি কাজ। মেয়েদের এ নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হয় অনেক বেশি।

মেয়েদের শরীরে বা মুখে চুল থাকবেনা এটা একটা স্বাভাবিক বিষয়। লোমশ যৌনাঙ্গ বা মুখমণ্ডল অনেক ছেলেরই তাই অপছন্দ। তারা চায় তাদের শয্যাসঙ্গিনী হবে সকল ধরনের চুল থেকে মুক্ত এবং মসৃণ ত্বকের অধিকারী। তাইতো আজকালকার মেয়েরা চেষ্টা করে সবসময়ই ক্লিন আর নরম ত্বকের অধিকারিণী হতে। মেয়েদের এই উটকো ঝামেলার যৌনাঙ্গ অপ্রয়োজনীয় লোম বা চুল থেকে পরিষ্কার রাখার ৫টি সহজ উপায়।

মেয়েদের যৌনাঙ্গের চুল কাটার সহজ উপায়
চলুন দেখি উপায়গুলো কি কিঃ

১। টুইজিং/প্লাকিংঃ টুইজিং বা প্লাকিং হল এমন একটি উপায় যার মাধ্যমে প্রতিটা চুল বা লোম একে একে তুলে আনতে হয়।

যেখানে করা উচিৎঃ মুখমণ্ডল বা যেখানে চুলের ঘনত্ব কম

স্থায়িত্বঃ ৩-৮ সপ্তাহ

২। শেভিং (Shaving)

রেজার বা ইলেকট্রিক রেজার ব্যবহার করে শেভিং করা যেতে পারে।

যেখানে করা উচিৎঃ শেভিং যেকোনো জায়গায় করা যেতে পারে

স্থায়িত্বঃ ১-৩ দিন

৩। ওয়াক্সিং (Waxing)
একজন কসমেটোলোজিসট গলিত মোম ত্বকের উপর ছড়িয়ে দিয়ে একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে দেন। মোম শুকিয়ে গেলে কাপড় উঠিয়ে ফেলেন। সাথে উঠে আসে লোম বা চুল।
যেখানে করা উচিৎঃ যেকোনো জায়গায় করা যেতে পারে
স্থায়িত্বঃ ৩-৬ সপ্তাহ

৪। লেজার বা আলোক রশ্মি
একজন টেকনিসিয়ান উজ্জ্বল আলোকরশ্মি দিয়ে চুলের গোরা ধ্বংস করে দেন। এটা সবচেয়ে কার্যকর প্রক্রিয়া।
যেখানে করা উচিৎঃ যেকোনো জায়গায় করা যেতে পারে
স্থায়িত্বঃ সাধারণত ৬-১২ বার এই প্রক্রিয়া অবলম্বন করলেই চুলের কবল থেকে সম্পূর্ণরুপে পরিত্রাণ পাওয়া যায়।

৫। ইলেকট্রলাইসিস
একজন প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত এক্সপার্ট একটি সুক্ষ নিডল প্রতিটি চুলের ফলিকলে ঢুকিয়ে কারেন্ট প্রবাহিত করে গোরা নষ্ট করে দেন।
যেখানে করা উচিৎঃ অনেক দীর্ঘ এই প্রক্রিয়া কম চুল বিশিষ্ট এলাকায় করা ভালো। তাতে কম সময়েই কর্ম সম্পাদন হয়।
স্থায়িত্বঃ পুরোপুরি চুল না চলে যাওয়া পর্যন্ত ১-২ সপ্তাহ পর পরই ইলেকট্রলাইসিস (Electrolysis) করতে হয়।

প্রথম চুম্বন – First Kiss- Clarice Lispector

‘প্রথম চুম্বন’ ক্লারিস লিসপেক্তরের ইংরেজিতে অনূদিত ‘ফার্স্ট কিস’ গল্পের অনুবাদ। গল্পটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন রেচেল ক্ল্যান এবং ২০১৩ সালে ‘বম্ব’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।

লেখক পরিচিতি : বিংশ শতাব্দীর পর্তুগিজ ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কথাসাহিত্যিক এবং ফ্রাঞ্জ কাফকার পরবর্তী উল্লেখযোগ্য ইহুদি লেখক হিসেবে স্বীকৃত ব্রাজিলের নারী সাহিত্যিক ক্লারিস লিসপেক্তর। তিনি ১৯২০ সালের ১০ ডিসেম্বর ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চল এলাকার চেচেলনিক শহরে এক সম্ভ্রান্ত ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দু-বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে ব্রাজিলের অভিবাসী হন। মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি প্রথম উপন্যাস ‘নিয়ার টু দ্য ওয়াইল্ড হার্ট’ (Near to Wild Heart) প্রকাশ করেন এবং ‘গ্রাসা আরানহা’ পুরস্কার অর্জন করেন।  তিনি এডগার এলান পো এবং অস্কার ওয়াইল্ডের লেখা পর্তুগিজ ভাষায় অনুবাদ করেন। তাঁকে ‘নারী চেকভ’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। তিনি ১৯৭৭ সালের ৯ ডিসেম্বর ওভারিয়ান ক্যানসারে (Ovarian Cancer) মৃত্যুবরণ করেন।

প্রথম চুম্বন – First Kiss



ওরা দুজন পরস্পর কথা বলার চেয়ে বিড়বিড় করে বেশি। সম্প্রতি ছেলে এবং মেয়েটির মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। তাই এই মুহূর্তে ওরা দুজনেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে আছে। এক কথায় ওরা উভয়েই প্রেমের উত্তাল সাগরে রীতিমতো হাবুডুবু খাচ্ছে। প্রেমের সঙ্গে কী জড়িয়ে থাকে? ঈর্ষা।


—ঠিক আছে। আমি তোমাকে বিশ্বাস করি, আমিই তোমার জীবনে প্রথম প্রেম। এই বিশ্বাস আমাকে সুখী করে তুলেছে। কিন্তু সত্যি করে বলো তো, আমাকে চুমু খাওয়ার আগে তুমি অন্য কোনো নারীকে চুমু খাওনি? মেয়েটি সরাসরি প্রশ্ন করে।


ছেলেটির কাছে প্রশ্নটি খুবই সহজ এবং সে উত্তরও জানে।


—হ্যাঁ, আমি আগে একজন মহিলাকে চুম্বন করেছিলাম।


—কে ছিল? দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে মেয়েটি পুনরায় জিজ্ঞেস করে।


ছেলেটি স্বাভাবিক গলায় বলার চেষ্টা করে, কিন্তু সে জানে না কীভাবে তার বলা উচিত ছিল।


আঁকাবাঁকা পাহাড়ি রাস্তা বেয়ে ট্যুর বাস ধীরগতিতে উপরে উঠতে থাকে। বাসের ভেতর ছেলেটির আশপাশে অন্যান্য ছেলেমেয়েরা খোশগল্পে মশগুল। খোলা জানালা দিয়ে হালকা শীতল বাতাস এসে তার চোখেমুখে আলতো পরশ বুলিয়ে দিচ্ছে এবং চুলের ওপর ঢেউ খেলে খোলা হাওয়ায় হারিয়ে যাচ্ছে। তার কাছে মনে হয়, যেন কোনো মা তার নরম আঙুল দিয়ে সন্তানের চুলে বিলি কেটে দিচ্ছেন। বেশির ভাগ সময় ছেলেটি চুপচাপ থাকে। তখন সে কিছুই ভাবে না, শুধু মুহূর্তগুলো অনুভব করার চেষ্টা করে এবং মনের মধ্যে সে একধরনের সুখের অনুভূতি উপলব্ধি করে। বন্ধুবান্ধবদের হৈ-হুল্লোড়ের মধ্যে মনোযোগের সঙ্গে ভালোলাগার সূক্ষ অনুভূতি উপলব্ধি করা তার কছে খুবই কঠিন কাজ বলে মনে হয়।


ছেলেটির ভেতর জগতে তেষ্টার ইচ্ছেটা প্রবল হতে থাকে। একসময় সে বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কৌতুক করে, এমনকি কণ্ঠস্বর উপরে তুলে কথা বলে, যা মোটরের ঘর্ঘর শব্দকে ছাপিয়ে যায় এবং হাসি-ঠাট্টায় মশগুল হয়। কখনো সে চোখের পাতা বন্ধ করে সুখানুভূতির পরশ উপলব্ধি করে। সে ভেবে পায়নি, কেমন করে তার গলা শুকিয়ে কারবালা হয়ে গিয়েছিল।


না, গলা ভেজানোর জন্য পানির প্রয়োজনীয়তার কোনো আভাস-ঈঙ্গিত ছিল না। তবে তার তৃষ্ণা নিবারণের সমাধান ছিল মুখের ভেতর লালা জমানো এবং সে-ই কাজই সে করেছে। উত্তপ্ত মুখের ভেতর লালা জমার পর সে ধীরে ধীরে গলধঃকরণ করে। তারপর একবার নয়, বরং বারবার একই কাজ করেছে। তার মুখের লালা বেশ গরম ছিল এবং সেই গরম লালা তার তেষ্টা মেটাতে পারেনি। তার প্রচণ্ড তৃষ্ণা যেন দেহের চেয়ে বড় আকারের রূপ ধারণ করেছিল এবং সেই তৃষ্ণা ক্রমশ তার সমস্ত শরীরে ছড়িয়ে পড়েছিল।


যদিও কিছুক্ষণ আগে বাইরের বাতাস ছিল মনোরম, কিন্তু এখন মাথার ওপর গনগনে সূর্য। আশপাশের হাওয়া শুষ্ক। প্রচণ্ড ধৈর্য নিয়ে সে মুখের ভেতর যতটুকু লালা জমিয়েছিল, শুষ্ক বাতাস তার নাসারন্ধ্রে পৌঁছার সঙ্গে সঙ্গে তা নিমিষে শুকিয়ে যায়।


ছেলেটি যদি নাক বন্ধ করে এবং মুখ দিয়ে মরুভূমির তপ্ত বাতাস বুকের ভেতর সামান্য টেনে নেয়, তাহলে?


তবুও সে কয়েক সেকেন্ড সেই কাজ করার চেষ্টা করে। তার দম বন্ধ হয়ে আসে। সমস্যার একমাত্র সমাধান হলো অপেক্ষা করা, শুধুই অপেক্ষা করা। হয়তো কয়েক মিনিট মাত্র, হয়তো কয়েক ঘণ্টা। ইতিমধ্যে তার তৃষ্ণা এত বেশি লেগেছে যে, মনে হয় বছরের পর বছর ধরে তা জমে স্তূপ হয়েছে।


ছেলেটি জানে না কেমন করে এবং কেন? কিন্তু তার মনে হয় কাছাকাছি কোথাও সে পানির উপস্থিতি টের পেয়েছে এবং বড় বড় চোখ করে সে জানালার বাইরে রাস্তার উল্টোদিকে ঝোপঝাড়ের আড়ালে পানি খুঁজতে থাকে।


তার মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা বন্য পশুর ধারণা মোটেও ভুল হয়নি। রাস্তার অপ্রত্যাশিত বাঁকের পরেই ঝোপঝাড়ের পেছনে সে একটা ঝরনা দেখতে পেল। সেই ঝরনা থেকে পানি পড়ছে।


ঝরনার কাছে এসে বাস থামে। বাসের আরোহী সবাই প্রচণ্ড তৃষ্ণার্ত। ছেলেটি দৌড়ে সবার আগে ঝরনার কাছে গিয়ে পৌঁছায়।


তার চোখের পাতা বন্ধ। কিন্তু যেখান দিয়ে পানি পড়ছিল, সে সেই জায়গায় ঠোঁট দুটি সামান্য ফাঁক করে আলতো ভাবে রাখে। প্রথম ঢোক গেলার সময় গলা বেয়ে নিচে নেমে পানি তার পাকস্থলিতে গিয়ে পৌঁছায় এবং পরমুহূর্তে সে পরম শান্তি অনুভব করে।


তারপর ছেলেটি পরিতৃপ্তির সঙ্গে আরও পানি পান করে। একসময় সে ভাবে, পুনরায় সে জীবন ফিরে পেয়েছে। ধীরে ধীরে তার ক্লান্ত চোখের পাতা খুলতে থাকে।


একসময় ছেলেটি চোখের পাতা সম্পূর্ণ খোলে এবং তাকিয়ে দেখে তার মুখের ঠিক ডান পাশেই একটা পাথরের মূর্তি। মূর্তির চোখ দুটি তার দিকেই স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। মূর্তিটি একজন নারীর। সেই নারীমূর্তির মুখ দিয়েই পানি বের হচ্ছে। তার মনে পড়ে, সত্যি কথা বলতে কি, প্রথম চুমুক পানি পান করার সময় ঝরনার ঠাণ্ডা পানির চেয়েও হিমশীতল কোনো কিছুর সঙ্গে তার ঠোঁট দুটির স্পর্শ লেগেছিল। তখনই সে বুঝতে পেরেছিল যে, পাথরের নারীমূর্তির ঠোঁটের সঙ্গে তার ঠোঁটের ছোঁয়া লেগেছিল। মূর্তির ঠোঁট থেকে এক ঝলক বিদ্যুত্-তরঙ্গ এসে যেন তার ঠোঁট কাঁপিয়ে দিয়েছিল। তারপর সেই বিদ্যুত্-তরঙ্গ এক ঠোঁট থেকে অন্য ঠোঁটে ছোটাছুটি করেছিল।


নিজের মূর্খতার জন্য ছেলেটি তাত্ক্ষণিকভাবে হতভম্ব হয়। আপনমনে ভাবে, সে হয়তো কোনো গোপন প্রণয়ে জড়িয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এ-তো সেই নারী নয়, যার কাছ থেকে অমৃত ধারা বেরিয়ে আসছে—যা জীবনকে সজীব করে তোলে। একসময় সে নিরাভরণ নারীমূর্তির দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকে।


পাথরের নারীমূর্তির ঠোঁটে সে চুমু খেয়েছে।


ছেলেটি সারা শরীরে একধরনের অদৃশ্য পুলক শিহরণ অনুভব করে, যা তার নিজের ভেতরেই সৃষ্টি হয়েছিল। এক অচেনা অনুভূতিতে তার দেহের শিরা-উপশিরার মধ্যে প্রবাহিত রক্তকণা টগবগ করতে থাকে। উত্তেজনায় তার মুখ যেন একখণ্ড জ্বলন্ত কয়লা।


ছেলেটি এক কদম পেছনে, নাকি সম্মুখে গিয়েছিল, তার কিছুই মনে নেই। সেই সময় সে রীতিমতো উত্তেজিত এবং আশ্চর্যান্বিত। তবে সে বুঝতে পেরেছিল যে, আগে তার শরীরের যে অংশটুকু নেতিয়ে থাকত, ওটাও তুমুল উত্তেজনায় শক্ত হয়ে গেছে। তার জীবনে এ ধরনের ঘটনা আগে কখনোই ঘটেনি।


ছেলেটি ভিড়ের মধ্যে দাঁড়িয়ে একাকী ঘামতে থাকে। তার বুকের ভেতর ধুকপুকানির শব্দ আরও দ্রুত হয়। সেই সময় জীবনটা তার কাছে আনকোরা এবং অন্যরকম মনে হয়েছে, যা সে শুধু তখনই উপলব্ধি করতে পেরেছে। দোদুল্যমান সেই পরিস্থিতিতে সে সম্পূর্ণ কিংকর্তব্যবিমূঢ়।


ছেলেটির গভীর অনুভব থেকে একসময় সত্যটা বেরিয়ে আসে। তার চোখেমুখে এক অজানা ভয়ের চিহ্ন ফুটে ওঠে এবং একই সঙ্গে এক অদ্ভুত অনুভূতির উজ্জ্বল রশ্মি ছড়িয়ে পড়ে। আগে সে এই অন্যরকম অনুভূতি কখনোই অনুভব করেনি। সে … সে একজন পরিপূর্ণ পুরুষে রূপান্তরিত হয়েছে।